সর্বশেষ

10/recent/ticker-posts

মৃত্যু হওয়ার ৪ মাস পর এক শিক্ষককে বদলি করা হলো !




বিসিএসের সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা ও উদ্ভিদ বিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক সামস আরা জাহান ১২ ই মে মারা গেছেন। তবে তাঁর মৃত্যুর চার মাসেরও বেশি সময় পরে তাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বদলি করে দেয়। বৃহস্পতিবার এক আদেশে শিক্ষামন্ত্রণালয় তাকে ফরিদপুরের সদরপুর সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক (উদ্ভিদ) পদে স্থানান্তরিত করে। সামস আরা জাহান অসুস্থ থাকাকালীন সময়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সাথে যুক্ত ছিলেন।

তার স্বামী মাহবুবুল আলম, একজন সরকারী কর্মকর্তা। তিনি এই আদেশে চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন। এই ঘটনা বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদেরও মধ্যেও সমালোচনা সৃষ্টি করেছে। তবে যোগাযোগ করার পরও  শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।


এ ছাড়াও পিএইচডি করার জন্য ডেপুটেশনে অনুমোদিত বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের অন্য আরেক কর্মকর্তা ও সহকারী অধ্যাপক (ভূগোল) নগর সুলতানা পারভীনকে ফরিদপুরের সরকারী রাজেন্দ্র কলেজে বদলি করা হয়েছে, যা হওয়ার কথা ছিল না বলে জানান তিনি।



নিচে আরো অন্যান্য খবর পড়ুন............



কুমিল্লার দেবিদ্বারে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১০) ধর্ষণ করার অভিযোগে এক প্রতিবেশীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার তাকে কুমিল্লার একটি আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কুমিল্লার কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

সেই যুবকের নাম ফয়েজ উল্লাহ (২৩)। সে উপজেলার একটি কলেজের অনার্সের ২য় বর্ষের ছাত্র এবং ভুক্তভোগী শিশুটির আগে থেকেই পরিচিত। এবং গতকাল বুধবার রাতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এর আগে ওই রাতেই ছাত্রীর চাচা ফয়েজ উল্লাহ নামের সেই যুবকের বিরুদ্ধে মহিলা ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন এবং বাদী তিনি নিজেই ছিলেন। ফয়েজ উল্লাহ তার মোবাইল ফোনে ধর্ষণের পুরো ঘটনাটি রেকর্ডও করেছিল। তারপর সে ধর্ষণের ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়।

মামলার তদন্তকারী দেবিদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুস সালাম জানান, অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগী শিশুকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। ১৬৪ ধারায় অভিযুক্তের জবানবন্দি এবং ২১ ধারায় শিশুটির জবানবন্দি আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে রেকর্ড করা হয়েছে।

মামলার এজাহার অনুসারে বলা হয়েছে যে, অভিযুক্ত ফয়েজ উল্লাহ ২২ মে দুপুর ১২ টার দিকে মেয়েটিকে তার বাড়িতে প্রলুব্ধ করে ডেকে নিয়ে আসে এবং নিজ ঘরে ধর্ষণ করে। পরের দিন আবার ১ টার দিকে সে একই ঘরে শিশুটিকে পুনরায় ধর্ষণ করে। ঠিক সেদিনই ফয়েজ উল্লাহ তার মোবাইল ফোনে ধর্ষণের ছবি ও ভিডিও রেকর্ড করেছিল।

বাকি অংশ পড়তে ক্লিক করুন.........

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ