সর্বশেষ

10/recent/ticker-posts

সরকারি -বেসরকারি অফিসে মাস্ক না পড়লে সার্ভিস নিষিদ্ধ :প্রধানমন্ত্রী



ছবি; করোনা ভাইরাস প্রতীকি চিত্র



করোনা সারা বিশ্বজুড়ে এক ভয়াবহ নাম  ইউরোপ, আমেরিকা সহ সারাবিশ্ব জুড়ে সে তার ভয়াবহতা দেখাচ্ছে, এদিকে আমােদর দেশের করোনা পরিস্থিতি অস্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে, তার মাঝে শীতের সময় এর প্রভাব আরো বাড়বে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। 


করোনার এই ২য় ওয়েব মোকাবেলা করার জন্য সরকার ইতিমেধ্য নানান পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করেছে। তাই  করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় এখন থেকে মাস্ক ছাড়া আসলে কাউকে সরকারি ও বেসরকারি অফিসগুলোতে সেবা দেওয়া হবে না। এ জন্য ‘নো মাস্ক, নো সার্ভিস’ নীতি বাস্তবায়ন করা হবে। বেসরকারি অফিসগুলোতে এই নীতি মানা হচ্ছে কি না তা পরিদর্শন করা হবে বলেও জানানো হয়।

আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়াল এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় আজ। বৈঠকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায়  স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে মন্ত্রিসভাকে অবহিত করা হয়। এই বিষয়টি সাংবাদিকদের জানানোর সময় প্রশ্নের জবাবে 

মন্ত্রিপরিষদ সচিব  খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন মাস্ক ব্যবহারের বিষয়ে সরকারের অবস্থান কঠোর, তিনি বলেন এর বিষয়ে আগে অনেককে ছাড় দেওয়া হয়েছে কিন্তু এখন সেটা আর হবে না। তিনি জানান, অফিসের সামনে কাউকে মাস্ক ছাড়া ঢুকতে দেওয়া হবে না-লেখাও থাকবে।

এর আগে সরকার বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছিল। কিন্তু গ্রামে গঞ্জের মানুষ এসব মেনে চলে না, বরং তাদের মাঝে করোনার প্রতি মিথ্যা বিশ্বাস জন্ম নিয়েছে, আর তাই  এ বিষয়ে মানুষের মধ্যে শিথিলতা দেখা যায়। এখন আসন্ন শীত মৌসুমে সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কায় মাস্ক ব্যবহারের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিল সরকার। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, শীতকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই সব জায়গায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিব বর্ষ’ উপলক্ষে একাদশ জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি যে ভাষণ দেবেন তার সংশোধিত খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। কিছুদিন আগে অধ্যাদেশ আকারে জারি হওয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইনের খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়।

এটা মূলত নিয়ম রক্ষার জন্য করা হচ্ছে। কারণ কোনো আইন অধ্যাদেশ আকারে জারি হলে সেটা পরবর্তী সংসদ অধিবেশনে বিল আকারে উত্থাপন করতে হয়। তারই অংশ হিসেবে এটির আইনের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হলো

অন্যান্য খবর......

গত ১১ই অক্টোবর পুলিশের নির্যাতনে সিলেটের বন্দর বাজার ফারিতে নিহত হন রায়হান আহম্মদ নামের এক যুবক। তার হত্যাকারী এসআই আকবর এখনো পলাতক, তাকে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করা যায় নি। এদিকে হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে সিলেটের বন্দর বাজার পুলিশ ফারিতে অনশন করছেন তার মা সালমা বেগমসহ তার পরিবারের সদস্যরা। 


রবিবার (২৫ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে তারা মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির সামনে অবস্থান নেন। তারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন ধরনের পোষ্টার প্রদর্শন করেন এবং তাদের দাবি

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ