সর্বশেষ

10/recent/ticker-posts

অতিরিক্ত স্যানিটাইজার -সাবান ব্যবহারে যেসব ক্ষতি এবং তার করনীয়

 



সাবান বা স্যানিটাইজার ব্যবহারের যেমন উপকার  আছে ঠিক তেমনি ক্ষতিও আছে।

সাবান হল আমাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় একটা বস্তু, কিন্তু এটি ব্যবহারের কিছু নিয়ম আমাদের জানতে হবে, কেননা এই সাবানে কিছু ক্ষতিকর পর্দাথ মিশানো হয় যা আমাদের, শরীর, ত্বক এর জন্য হুমকিস্বরূপ। সাবানে বা স্যানিটাইজারে ৬০-৭০ শতাংশ এ্যালকোহল থাকে যা আমাদের ত্বকের জন্য মুটেও ভালো নয়। বেশি বেশি এটি ব্যবহারের কারনে এর প্রভাবটি শরীরে দেখতে পাওয়া যায়, যা অবশেষে হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। 


কী ধরনের সমস্যা হয় জেনে নেইঃ
 
১.হাত শুকিয়ে বা খসখসে হয়ে যায় 
২.হাতে চুলকানি 
৩.চামড়া ওঠে যাওয়া 
৪.চামড়া লাল হয়ে গুটি গুটি রেশ বের হওয়া
৫. সবসময় লাল বর্নের হয়ে থাকা

কেন এমন হয়ঃ 

হাতের ত্বকে যে কেরাটিনোসাইট রয়েছে, তাতে লিপিডের স্তর থাকে। যে কোনও সাবান বা অ্যালকোহলে বার বার হাত ধুলে লিপিডের স্তর উঠে যেতে পারে, বিশেষ করে কড়া পাউডার বা স্যানেটাইজার হাতে লাগলে হাত শুকিয়ে যায়। ফলে ত্বকের যে আসল কাজ অর্থাৎ সুরক্ষা বা বেরিয়ার ফাংশন, তাতে ব্যাঘাত ঘটে। অ্যালকোহল-যুক্ত স্যানিটাইজার হাতের স্বাভাবিক তৈলাক্ত ভাব ধ্বংস করে দেয় বলে ত্বক শুকিয়ে গিয়ে সমস্যা হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলেন মহামারী করোনা ভাইরাসে সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচার জন্য এখন এই সাবানের আর স্যানিটাইজারের ব্যবহার আগের তুলনায় অনেক বেশি বেড়ে গিয়েছে।  দেখা যায় একজন মানুষ দৈনিক ৫-৭ বার করে হাত পরিষ্কার করে। 
তারা আরো ধারণা করেন শীতের সময় করোনা ভাইরাসে সংক্রমণের পরিমান আরও বাড়তে পারে তাই সাবান -স্যানিটাইজারের ব্যবহারএ বাড়বে।

তবে বিশেষজ্ঞরা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন যা থেকে কিভাবে এইগুলা ব্যবহার করে কিছুটা হলেও বাঁচা সম্ভব-
যেমন- 

১। সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে হাত মুছে নিতে হবে পরিষ্কার কোনও কাপড়ে। ময়শ্চারাইজার না থাকলে পেট্রলিয়াম জেলি বা তরল প্যারাফিন বেসড অথবা নরম প্যারাফিন বেসড ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে।
২। সাবান দিয়ে হাত ধোওয়ার পর ভাল কোনও ময়শ্চারাইজার (মেডিকেটেড) ব্যবহার করতে হবে। তবে খাবার খাওয়ার আগে কখনওই নয়।
৩। নখ বড় রাখা যাবে না।
৪। সুতির গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে।
৫। ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করা তৃতীয় বিশ্বের দেশে সকলের পক্ষে সম্ভব নয়, সে ক্ষেত্রে নারকেল তেল ব্যবহার করা যেতে পারে।

সুতরাং উপরের পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হলে অনেকাংশে এই সমস্যা হতে রক্ষা পাওয়া যাবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ